আহমেদ বুলবুল
নজরুল তুমি আমার কাননের গন্ধ ছড়ানো ফুল
তাই তোমাকে সর্বদা আমি ভেবে হই আকুল।
যে তোমাকে চিনতে পারেনি, সংগ্রামহীন জীবন
সে বাংলা বলতে পারে; নীরবতা তার শোভন।
কিন্তু বাংলার মর্ম কি তাই? বোঝেও না বোঝা ।
বাংলার আকাশে এসেছিলে তুমি, এক উজ্জ্বল তারা।
যে তারার ক্ষয় নেই, আছে শুধু তীব্রতা,
সন্ধ্যা নামিলে বোঝা যায় তার ঝলকানো আভা।
সাঁযের বেলায় পাখিরা ফেরে তার আপন নীড়ে
জানে তারা কখন কোন পথে ফিরতে হবে ধীরে ।
বাংলার আকাশে এসেছিলে তুমি ধুমকেতুর মত
আমাদের পথের দিশারী হয়ে , মিছিলে শত শত ।
দেখাতে নীড়ে যাওয়ার রাস্তা করিয়া সন্ধান।
তাই তোমাকে স্মরণ করি মোরা উজাড় করিয়া প্রান।
ইংরেজ জাতি দেশটাকে যখন করিল জাহান্নাম ,
তোমার হাতেতে উঠিল তখন বিপ্লবী এক কলম ।
ঠিক তখনই পেলাম মোরা তোমাকে পথের সাথী,
বিপ্লবী গান গাহিয়া শোণাতে জাগাতে মনের বাতি ।
প্রথমে গেলে যুদ্ধ করিতে অস্র তুলিয়া হাতে।
ফিরিয়া আসিলে ফেলিয়া অস্র কলম তুলিলে তাতে।
লিখিয়া চলিলে কবিতা, ছড়া, গান দিলে বাংলাকে
চিরদিন সেই করিবে স্মরণ, হে নজরুল তোমাকে।
উঁচু করিলে ভাষার আসন, নিজেকে করিলে খালি
তার তরে ছিলনাকো তোমার, অভিমান কতগুলি।
সেই স্থানে দেখি চলিছে নিজেকে, পূর্ণ করিতে আজ
বাংলাকে আজ করিতেছে খালি, নেই তাদের কোন লাজ।
তাই তোমাকে সর্বদা আমি ভেবে হই আকুল।
যে তোমাকে চিনতে পারেনি, সংগ্রামহীন জীবন
সে বাংলা বলতে পারে; নীরবতা তার শোভন।
কিন্তু বাংলার মর্ম কি তাই? বোঝেও না বোঝা ।
বাংলার আকাশে এসেছিলে তুমি, এক উজ্জ্বল তারা।
যে তারার ক্ষয় নেই, আছে শুধু তীব্রতা,
সন্ধ্যা নামিলে বোঝা যায় তার ঝলকানো আভা।
সাঁযের বেলায় পাখিরা ফেরে তার আপন নীড়ে
জানে তারা কখন কোন পথে ফিরতে হবে ধীরে ।
বাংলার আকাশে এসেছিলে তুমি ধুমকেতুর মত
আমাদের পথের দিশারী হয়ে , মিছিলে শত শত ।
দেখাতে নীড়ে যাওয়ার রাস্তা করিয়া সন্ধান।
তাই তোমাকে স্মরণ করি মোরা উজাড় করিয়া প্রান।
ইংরেজ জাতি দেশটাকে যখন করিল জাহান্নাম ,
তোমার হাতেতে উঠিল তখন বিপ্লবী এক কলম ।
ঠিক তখনই পেলাম মোরা তোমাকে পথের সাথী,
বিপ্লবী গান গাহিয়া শোণাতে জাগাতে মনের বাতি ।
প্রথমে গেলে যুদ্ধ করিতে অস্র তুলিয়া হাতে।
ফিরিয়া আসিলে ফেলিয়া অস্র কলম তুলিলে তাতে।
লিখিয়া চলিলে কবিতা, ছড়া, গান দিলে বাংলাকে
চিরদিন সেই করিবে স্মরণ, হে নজরুল তোমাকে।
উঁচু করিলে ভাষার আসন, নিজেকে করিলে খালি
তার তরে ছিলনাকো তোমার, অভিমান কতগুলি।
সেই স্থানে দেখি চলিছে নিজেকে, পূর্ণ করিতে আজ
বাংলাকে আজ করিতেছে খালি, নেই তাদের কোন লাজ।
ইংরেজ নাই তবু কেন আজ, শান্তি নাই এই ভবে ?
নিজের রক্তে নিজেই কি আজ, হলি খেলিতেছি তবে?
দোষ দিয়ে যাই একে অন্যকে, শত্রুর চোখে দেখি
ভাবি নিজেই সঠিক, ভুলে ভরা সবই সেকি?
কেমন হয়েছে আজ দেখ, বাংলা মায়ের মুখ
খুজিয়া বেড়ালেও পাবেনা কোথাও একটু খানি সুখ ।
কথা আর কাজ এক নেই আজ, স্বার্থের বলি মোরা
উত্তরনের পাইনা রাস্তা, খুজিয়াই দিশেহারা।
তেজিত রক্তে হিম শীতলতা, ফেলিয়া জীবনের গান
স্বার্থের তরে খাইলাম সবে জ্ঞান, বিবেক ও মান ।
অনৈক্য মোদের স্বার্থের পথ দেশের মরণসম।
বিসর্জনে নেইকো আজি, কোনই পরিশ্রম ।
তাইতো আজি তোমাকেই স্মরি হে বিদ্রোহী কবি
তোমাকে ছাড়া অপূর্ণ বাংলার চির দিনেরই ছবি।
হাজার বছর সংগ্রাম করিয়া পেয়েছি ঘোড়ার ডিম
রাস্তার ধারে খুজিয়া ফিরি কয়েকটা ছড়ানো সিম।
লজ্জায় আজি মাথা হেঁট মোর দু’খের জীবন শুরু
সমাধান কি খুজিয়া পাবে আমাদের কোন গুরু?
গুরুর কথা কি বলিব হায়, তিনিও রসাতলে
গ্রামবাংলা তাকিয়ে আছে অথচ, তাঁরই চরণতলে।
জাগিয়ে তোল হে বিপ্লবী কবি মোদের ভাঙ্গা শির।
জাগিয়ে তোল তোমার চিরচেনা ‘উন্নত মম শির’।
তোমাকে ছাড়া অপূর্ণ বাংলার চির দিনেরই ছবি।
হাজার বছর সংগ্রাম করিয়া পেয়েছি ঘোড়ার ডিম
রাস্তার ধারে খুজিয়া ফিরি কয়েকটা ছড়ানো সিম।
লজ্জায় আজি মাথা হেঁট মোর দু’খের জীবন শুরু
সমাধান কি খুজিয়া পাবে আমাদের কোন গুরু?
গুরুর কথা কি বলিব হায়, তিনিও রসাতলে
গ্রামবাংলা তাকিয়ে আছে অথচ, তাঁরই চরণতলে।
জাগিয়ে তোল হে বিপ্লবী কবি মোদের ভাঙ্গা শির।
জাগিয়ে তোল তোমার চিরচেনা ‘উন্নত মম শির’।
------------০------------
No comments:
Post a Comment